Last 7 Days Visitor  :  359      Total Visitor  :  95472      
ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে ফাযিল ৩য় বর্ষের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে । কামিল ১ম পর্বে ভর্তি চলছে , ,৫.০০ প্রাপ্ত ছাত্রদের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে । যোগাযোগ:০১৭১৭৯৬৭৫১০
যোগযোগ
কিতাব সমূহ
Ask to Mufti
Ask to Mufti
প্রশ্ন উত্তর
হুজুর আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে কামিল ১ম বর্ষের ফরম পুরন কখন হবে । আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে কামিল পরীক্ষার ফরম পুরন আগামী ২০/০৩/২০১৭ ও ২১/০৩/২০১৭
হুজুর আমার ছোট ভাই কে সোনাকানদা মাদ্‌রাসায় ভর্তি করতে চাই সে এখন ৪র্থ শ্রেণীর ছাএ তার কি কি করনীয় হতে পারে
হুজুর আমার ছোট ভাই কে সোনাকানদা মাদ্‌রাসায় ভর্তি করতে চাই সে এখন ৪র্থ শ্রেণীর ছাএ তার কি কি করনীয় হতে পারে
Kiam Kora Ki Jayaze?
কিয়াম কত প্রকার ও কীকী?
ফাযিল ২০১৫-১৬ শিক্খা বর্ষের ১ম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা কবে হবে? জানাতে পারলে ভাল হয় আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা এর অধীনে ফাযিল স্নতক ১ম পরবর্ষ পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২১/১২/২০১৬ ইং ,ফরম ফিলাপ চলছে ।
জিকির কত প্রকার ও কি কি?বর্ণনা দিন
www.facebook.com/sonakandakafala
zohor namaj jamat a porar somoy muktadi ki shora porbey.? Esha namaj a shaser 2rakat portey ki muktadi shora porbey? না কোন নামাযেই মুক্তাদি ইমামের সাথে কিরাত পড়বেননা ।
রাতের বেলায় স্ত্রীর সাথে মিলন করা কি ইসলামে আছে ? হা, রাতের বেলায় স্ত্রীসহবাসের কথা পবিত্র কোর আনে রয়েছে ,(তোমাদের জন্য রমযানের রাতে স্ত্রীসহবাস বৈধ করা হয়েছে -কুর আন)
রাসুল (স) নুরের তৈরী না মাটির তৈরী এ ব্যপারে বহু কিতাব রয়েছে ,সেখানে দেখে নিন ।
ফজরের নামাজের পড় সূরা হাসরের শেষ তিন আয়াত একত্রে জোরে পড়া যাবে কি? সুরা হাশরের শেষ তিন আয়তের ফাযায়েলের ব্যপারে হাদিস বিদ্যমান তাই সকলের ই পড়া উচিত । আর এটা তেলাওয়াতে আওয়াজ হবে এটাই সভাবিক এতে কোন অসুবিধা নেই । তবে বেশী উচ্চ শব্দ নাকরে আস্তে আস্তে পড়া ভাল ।
মাযহাব মানা কি পবিত্র কুরআন,হাদিস,ইজমা ও কিয়াসের আলোকে উম্মতে মুহাম্মদির ঈমানী জিন্দেগীর সঠিক মাপকাঠি বা ছিরাতে মুস্তাকীম ।
জানাজার নামাজে হুজুরেরা বলে যে, বেজোড় কাতার বা লাইন করার জন্য।এখন প্রশ্ন হচ্ছে ইমাম যে একা দাঁড়ায় সেটা কি কাতার বলে গন্য হবে? নাকি ঈমামের কাতার ব্যতীত বেজোড় কাতার করতে হবে?
নামাজে প্রত্যেক উঠা বসায় ঈমামের সাথে আল্লাহ আকবার বলতে হবে কি? হা, বলতে হবে ।
হুজুর, আপনারা কয়দিন পর পর উঃ দেন? আমি অসুস্থ থাকায় উত্তর দিতে দেড়ি হয়, এ জন্য দুঃখিত ।
হুজুর আসসালামু আলাইকুম,আমি ব্যক্তিগতভাবে সোনাকান্দা মাদ্রাসার ইউনিফর্ম পাণ্জাবি কে খুব পছন্দ করি।কিন্তু আমাকে একজন কওমী মাওঃ প্রশ্ন করেছে নেছফে ছাক সুন্নত বুঝলাম কিন্তু কলার ছাড়া কেন?সে আরো বলে,শুধুমাত্র ছারছীনা সোনাকান্দা দারুন নাজাত ফান্দাউক মাদ্রাসায় শুধু এসব পাণ্জাবী চলে,অন্য কোথাও না।এখন আমি কি জবাব দিতে পারি? নফল নামায মুলতঃ দুই দুই রাকাত করে পড়াই শরীয়ত । তবে ওলামায় কেরাম ভিবিন্ন দলিলের আলোকে নফল নামায দিনের বেলায় ৪ রাকাত আর রাতে ৮ রাকাত এক সালামে বৈধ বলেছেন । তবে প্রত্যেক দুই রাকাতের পরে তাশাহুদের সাথে দুরুদ শরীফ ও মাছুরা পড়ার কথাও বলেছেন,তবে এটা মুস্তাহাব শুধু তাশাহুদ পড়লেও নামায ছহীহ হবে ।
কোন হক্বানী অলির মাযার পাকা করে গম্বুজ তৈরি করা জায়েয কিনা? না যাবেনা কারন ছহীহ হাদিসে এরুপ করার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যদিও কোন কোন কিতাবে কিছু দূর্বল মতামত রয়েছে তা বর্তমানে গ্রহন করা যাবেনা । এরুপ মাযারে বর্তমান সময়ে বহু বেদয়া্ত ও হারাম আমল দেখা যায় ।
অনেকে বলে,চার রাকাত বিশিষ্ট সুন্নতে যায়েদা তথা আছর ও ইশার সুন্নতে নাকি প্রথম বৈঠকে তাশাহুদ পড়ার পর দুরুদ শরীফ সহ দোয়ায়ে মাছুরা পড়তে হয়। এখন প্রশ্ন হল- এটা ঠিক কিনা আর যদি ঠিক হয়,তাহলে প্রথম বৈঠকে দুরুদ শরীফ ও দোয়ায়ে মাছুরা পড়ার হুকুম কি?
পুরুষের স্তনের চারপাশে অনেক বড় বড় পশম গজিয়েছে, এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঐ পশম কাটা বা উপড়ানো যাবে কি? না যাবেনা ।
হুজুর,আসসালামু আলাইকুম,আমি জানতে চাই ফরজ এবং ওয়াজিবের মধ্যে পার্থক্য কি? ফরয বিধান পবিত্র কুরান ও হাদিসে মুতাওয়াতের দ্বারা সাব্যাস্থ হয়, একে অশ্বিকার করলে কাফির হবে ,ওয়াজিব হাদিসে মাশহুর ও রাসুল সঃ এর ধারাবাহিক আমল দ্বারা সাব্যাস্থ হয় , একে অম্বিকার কারী গোমরাহ পথভ্রষ্ঠ ।
পীর সাহেব হুজুরের কাছে বাইয়াত গ্রহণ করতে হলে কি করতে হবে মানে কোথায় দেখা করতে হবে বাড়িতে বা মাহফিলে যে কোন স্থানেই আপনি বায়াত হতে পারবেন ।
Ojo korar por aina diea face dekhle ojo nosto hobe ki না অজু ভঙ্গ হবে না ,
ফা,অমিনুবিল্লাহিঅরাসূলীহি অনূর আল্লাজি আন জ্বাল না। এর অর্থ কি হুজুর। তোমরা আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি বিশ্বাস কর, এবং ঐনূর তথা কুরানের প্রতি যাহা আমি অবতিতির্ন করেছি .
নামাজ এর মাসালা
খাছ মাহফিল এর ভিডিও টা পাব
নামাজ আদায়ের নিয়মাবলি এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আপনি আমাদের দরবারের কিতাব, নামায শিক্ষা ও জরুরি মাসায়েল কিতাব খানা সংগ্রহ করুন,বিস্তারিত পাবেন ।
মসজিদের ইমাম যদি সুদ খায় তাহলে করনীয় কী? আপনার ইমাম সাহেব যদি না বুঝে সুদ খায় তবে বলার পরে যদি সুদ খওয়া বন্ধ করে তবে তার ইমামতি রাখা যাবে, আর যদি বলার পড়েও যদি বিরত না হয় তবে তার ইমামতি বাতিল করতে হবে ,কেননা সে প্রকাশ্য ফাসেক, তার ইমামতি মাকরূহ তাহরিম।
হযরত পীর মুরিদির উদ্দেশ্য কি সাধারন মানুষ সূফী সাধক বা বুজুর্গ লোক তথা পীর সাহেবের নিকটে মুরিদ হন বা পীর সাহেবগন মানুষকে মুরীদ করান এর পিছনে পীর ও মুরিদ উভয়ের ই উদ্দেশ্য হল আল্লাহ ও তার রাসুলের সন্তষ্টি লাভ করা । পীর তার মুরিদকে আল্লাহর কুরআন ও তার রাসুলের সুন্নাতের দিকে পথ প্রদর্শন করার কারনে আল্লাহর সন্তষ্টি লাভ করবেন এবং মুরিদ তার পীরের দেখানো হেদায়েতকে অনুস্বরন করার দ্বারা আল্লাহর সন্তষ্টি লাভ করবেন । মুরিদ তার পীরকে খুশী করে দুনিয়াবী কোন খেলাফত বা পদ কামনা করবেনা । অনুরুপ পীর তার মুরিদ থেকে কনো প্রকার হাদিয়া বা মুরিদ দ্বারা নিজের খ্যাতি প্রছারের নিয়ত করবেননা ।এখলাছ ছাড়া তরিকতের কনো মুল্য নেই । সুতারং পীর মুরিদির উদ্দিশ্য একমাত্র রেজায়ে মাওলা ।
সময়মত উত্তর না দিলে কিভাবে হবে? প্রতিদিন আপডেট রাখা উচিত? দুঃখ করবেন না জবাব পাবেন,
woas
প্রেম করা কি? প্রেম,নিয়ে আপনার প্রশ্ন পরিস্কার নহে, এটা যদি আল্লাহ ও তার রাসুলের জন্য হয় ,তবে এটা ভাল, বরং এটা ঈমানের শাখা, আর যদি এটা চলমান কোন নারীর জন্য হয় তবে এর কয়েকটি দিক রয়েছে ১/ আপনি যদি কোন নেক্কার মহিলাকে দ্বীনদারীর কারনে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ভাল বাসেন তবে তাহা ভাল । ২/ আর যদি কোন মেয়ের সাথে খারাপ সম্পক গওড়তে প্রেম করেন তাহা হারাম হবে। কারন ঐ মেয়ের সাথে দেখা করা বা মোবাইলে উভয়টাই হারাম ।
দুঃখীত! প্রশ্নটা আমি আগেও করেছিলাম। আজ আবার করছি বেপারটা পরিষ্কার হবার জন্য। রহিমের দুলাভাই বিদেশ থাকেন, ওখানে ট্যাক্সি ক্যাব চালায়। প্রায়সময় যাত্রিরা ট্যাক্সিতে মোবাইল ফেলে রেখে যায়। রহিমের দুলাভাই ফোন করে ও অনেক দিন অপেক্ষা করে মালিকের খবর না পেয়ে মোবাইল গুলো ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া ছাড়া উপায় নাই। তাই 'দুলাভাই মোবাইল গুলো দেশে পাঠায় দিয়েছেন। এমতাবস্থায় রহিম কি মোবাইল গুলো ব্যবহার করতে পারবে?' আপনারা উত্তর দিয়েছিলেন 'ব্যবহার করা যাবেনা' নতুন প্রশ্ন হল যদি ব্যবহার করতে না পারে তাহলে মোবাইল গুলো "আমেরিকা ফেরত পাঠায় দিতে হবে? নাকি মোবাইল এর বিনিময় কিছু টাকা এতিমখানা অথবা গরিবদের দিয়ে দিলে হবে ?" ভাইজান, আপনাকে যে উত্তার দেওয়া হ ইয়েছে,তাই মেনে চলতে হবে,মোবাইল আপনি নিজে রাখতে চাইলে ,উপরোক্ত নিয়ম মানার পরে ,মোবাইলের যথা যথ দাম গরিবকে সাদকাহ করা ওয়াজিব,সাবধাব পাপে লিপ্ত হবেন না।
কি কি কারনে নামাজ পড়া অবস্তায় নামাজ ছাড়া যাবে?
আমরা জানি যে ছেলেদের দুটি খাসি ও মেয়েদের জন্য একটি খাসি আকিকা দিতে হর। কিনতু আমি জানতে চাই একটি গরু দিয়ে কত জন ছেলেও মেয়ের আকিকা দেওয়া যাবে গরুর সাথে আকিকা দিলে ,মেয়ের জন্য এক শরিক এবং ছেলের জন্য দুই শরিক আংশ গ্রহন করতে হবে, এ ভাবে হিসাব করে যতজন পারা যায়,
রহিমের দুলাভাই বিদেশ থাকেন, ওখানে ট্যাক্সি ক্যাব চালায়। প্রায়সময় যাত্রিরা ট্যাক্সিতে মোবাইল ফেলে রেখে যায়। রহিমের দুলাভাই ফোন করে ও অপেক্ষা করে মালিকের খবর না পেয়ে মোবাইল গুলো ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া ছাড়া উপায় নাই। এমতাবস্থায় 'দুলাভাই যদি মোবাইল গুলো দেশে পাঠায় দেন তাহলে রহিম কি মোবাইল গুলো ব্যবহার করতে পারবে?' যদি ব্যবহার করতে না পারে তাহলে মোবাইল গুলো কি করা উচিত? না, টেক্সিতে ফেলে যাওয়া মোবাইল গুলো দেশে পাঠানো যাবেনা , এ গুলোকে কোথাও ফেলেও দেওয়া যাবেনা, এ জাতীয় পতিত মালামালকে শরীয়তে লুক্তা বলে(পতিত মাল) এ মালামালের মুল্য যদি ১০ টাকার কম হয় ,তবে তিন দিন পর্যন্ত মানুষের নিকট প্রচার করতে হবে, যদি মালিক পাওয়া যায় তবে তার নিকত সোপর্দ করতে হবে, আর মালিক পাওয়া না গেলে গরীবদের কে দান করে দিতে হবে। নিজে ব্যাবহার করতে বা কোথাও ফেলে দিতে পারবেনা । আর এ মালামালের মুল্য যদি ১০ টাকার বেশী হয় ,তবে এক বছর পর্যন্ত মানুষের নিকট প্রচার করতে হবে, যদি মালিক পাওয়া যায় তবে তার নিকত সোপর্দ করতে হবে, আর মালিক পাওয়া না গেলে গরীবদের কে দান করে দিতে হবে। নিজে ব্যাবহার করতে বা কোথাও ফেলে দিতে পারবেনা ।
কোরআন শরীফ খতম করার পর এক সাথে সিজদাগুলো দেওয়া যাবেকি ভাই, কোর আন খতম যদি নামাজের মাঝে হয় তবে তিলাওয়াতে সিজদা সমুহ নামাজের রাক্যাতেই দিতে হবে, আর যদি খতম নামাজের বাহিরে হয় তবে বিলম্বকরে বা খতম শেষ করে সিজদা করা জায়েজ আছে, তবে সিজদার আয়ত তেলাওয়াতের সাথে সাথে সিজদা করাই উত্তম।
keu haram taka mosjide dan korle soab pabe ki na? না, হারাম টাকা মসজিদে দান করলে ছওয়াব পাবেনা, বরং হারাম টাকা ছওয়াবের নিয়তে দান করলে ঈমান চলে যাবে ।
মনে করেন কারু কাছে আট ভোরি সোনা এক বছর মজুদ আছে। কিনতু তিনি কি যতটুকু সোনা ব্যবহার করেন ততটুকুর সোনা যাকাত দিতে হবে কি। নাকি পোরা আট ভোরির সোনার যাকাত দিতে হবে তার নিকট যত বড়ি পরিমাণ স্বর্ণ থাকবে তার সকল স্বর্ণের যাকাত হিসাব করে দিতে হবে ।
দয়া করে জবাব দেবেন প্রতি জুমাআ দিন বার চাঁদের খুদবাহ যে সংখিপত খুদবাহ কিতাব আছে তাকি প্রতি জুমাআ পড়া যাবেকি উওর দেন ভাই,জেনে রাখুন ,জুমার নামাজের জন্য খুতবা দেওয়া ওয়াজিব, এটা আপনার বর্ণিত খুতবার দ্বারাই সদা আদায় হবে ,তবে ছানি খুতবার কতিপয় সুন্নাত ও মুস্তাহাব বিষয় রয়েছে, তা হল, ছানি খুতবাতে রাসুলুল্লা (সঃ)এর প্রতি দরুদ ,তার,পরিজন,আসহাবদের প্রতি দরুদ, খোলাফায়ে রাশেদা, আশারায় মুবাশশারা,রাসুলুল্লা(স) এর পরিজন , তার দুই চাচা –আব্বাস ও হামজা( র) এর গুনাগুণ বর্ণনা ও দোয়া করা। উপস্থিত মুসুল্লিগন সহ বিশ্বের তামাম মুসুল মানের জন্য(জীবিত-মুরদা) কল্যান ও মাগফিরাত কামনা করা। এ বিশেষ সুন্নাত ও মুস্তাহাব বিষয়ে প্রতি খেয়াল রেখে সর্বদা সংখিপ্ত ছানি খুতবা পাঠ না করে বিস্তারিত খুতবাটি পাঠ করাই উত্তম ।
রোজা রেখে নখ বা চুল কাটা কি? মিছবাহ রোযা অবস্তায় নখ,চুল কাটা জায়েজ, তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে শরীর থেকে রক্ত বের না হয় । রক্ত বের হলে মাকরুহ হবে ।
tablig kora ki? তাবলীগ করা তথা দিনি ইলম যা নিজে জানে তাহা অন্যর নিকটে পৌছিয়ে দেওয়া সুন্নাত।
Hojor islama contact kore jai hojor tar ki obasta hobe
কিয়াম কর‍া জায়েজ কিনা?দলিল সহ জানতে চাই কিয়ামের দলিল. কিয়ামের ব্যাপারে দলিল জানার পূর্বে একটি বিষয় আপনাকে অবগত হওয়া জরুরী যে, আমরা কেয়াম করার পিছনে আমাদের বিশ্বাস কি ? আপনার জেনে রাখতে হবে যে কেয়াম করা তথা প্রিয় নবী (স) এর শ্বান ও মানের কথা শুনে তার সম্মানে সীমাহিন তাজিমের সাথে দাঁড়িয়ে জাওয়া জায়েজ ও মুস্তাহাব । এ ব্যাপারে শরয়ী দলিল বিদ্যমান । যেমন রাসুল সঃ হাযরত ইকরামা ও আদি র. এঁর প্রতি স্নেহ ও ভাল বাসায় দাঁড়িয়ে গেছেন । মিরকাত প্রনেতা বলেন - ولو ثبت فالوجه فيه أن يحمل على الترخيص حيث يقتضيه الحال وقد كان عكرمة من رؤساء قريش وعدي كان سيد بني طيىء فرأى تأليفهما بذلك على الإسلام أو عرف من جانبهما تطلعا إليه على حسب ما يقتضيه حب الرياسة اه والظاهر أن قيامه لعكرمة إنما كان لكونه قادما مهاجرا كما سبق أنه قال له مرحبا بالراكب المهاجر কতিপয় ওলামায় কেরাম বলেন ,আলাচ্য হাদিসে ইংগিত রয়েছে যে, ওলামায় কেরাম ও সম্নানিত লোকদের আগমনে দাঁড়ানো উচিত, মেরকাত প্রনেতা বলেন, وقال بعض العلماء في الحديث إكرام أهل الفضل من علم أو صلاح أو شرف بالقيام لهم إذا أقبلوا هكذا احتج بالحديث جماهير العلماء আল্লামা কাজী আয়াজ বলেন, لا تقومو كما يقوموا الاعاجم------ তোমরা আজমী লোকদের ন্যায় দড়িও না ,এ হাদিস দ্বারা উদ্দেশ্য হল কারও সামনে বহু সময় যাবত নীরবে দাড়ীয়ে থাকা আর ঐ লোকটি আজমত নিয়ে বসে থাকবে , এ রুপ দাড়নো নিষেধ, وقال القاضي عياض القيام المنهي تمثلهم قياما طول جلوسه মুসলিম শরিফ এঁর ব্যাখ্যাকার আল্লামা নববী (র) বলেন, নেক্কার, সম্মানিত লোকদের সম্মানে দাঁড়ানো মুস্তাহাব, এ ব্যাপারে বহু হাদিস এসেছে তবে দাঁড়ানো নিষেধের ব্যাপারে কোণ ছহিহ হাদিস নেই । এখন আপনি চিন্তা করুন আপনি কি ইমাম নবুবী (র). এর কথা মানবেন না কি বর্তমানে যারা হাদিসে রাসুল না বুঝে রাসুলের শানে বেয়াদবী করে , কেয়াম নিয়ে ব্যাঙ্গ করে তাদের কথা মানবেন ?----- এ প্রসঙ্গে মেরকাত প্রনেতা বলেন, وقال النووي هذا القيام للقادم من أهل الفضل مستحب وقد جاءت أحاديث ولم يصح في النهي عنه شيء صريح ইমাম নবুবী আরও বলেন ,কেয়াম সম্পর্কিত হাদিস সমুহ এবং ওলামায় কেরামের মতামত সমুহ আমি একত্র করেছি এবং সেখানে আমি বিরুদ্ধ বাদীদের কথার জওয়াব দিয়েছি , মেরকাত প্রনেতা বলেন, وقد جمعت كل ذلك مع كلام العلماء عليه في جزء وأجبت فيه عما يوهم النهي عنه اه وتعقبه ابن الحاج المالكي في مدخله ورد عليه ردا بليغا জামে বুখারীর ৫৩৭ ছাপার হাশীয়াতে হাদিসে সাদে রয়েছে, وفيه استحباب القيام للسادات –كرماني-قال في المجمع واحتج به الجماهير لاكرام اهل الفضل بالقيام ادا اقبلوا و اما القيام المنهي عنه فانما هو فيمن يقيمون عليه وهو جالس و يمثلون قياما طول جلوسه - হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী বলেন, কোন ব্যাক্তকে মহান মনে করে তার সামনে নত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা মকরুহ ,তবে ইকরাম তথা সম্মানের সাথে দাঁড়ানো মাকরুহ নহে । মেরকাত প্রনেতা বলেন, وقال الإمام حجة الإسلام القيام مكروه على سبيل الإعظام لا على سبيل الإكرام ولعله أراد بالإكرام القيام للتحية بمزيدالمحبة كما تدل عليه المصافحة وبالإعظام التمثل له بالقيام هو جالس ععلىل عادة الأمراء الفخام والله أعلم بكل حال ومقام متفق عليه وكذا رواه الإمام أبو داود ومضى الحديث بطوله في باب حكم الإسراء তবে হা যে ব্যক্তি এ রুপ পছন্দ করে যে, মানুষ তাঁর খেদমতে ও তাজিমে দাঁড়িয়ে থাকুক তার জন্য দাঁড়ানো জায়েজ হবেনা । এ রুপ কথাই হাদিসের কতিপয় ব্যাখাকার বলেছন , قال قال رسول الله من سره أي أعجبه وجعله مسرورا ولفظ الجامع من أحب أن يتمثل أي ينتصب له الرجال قياما أي يقفون بين يديه قائمين لخدمته وتعظيمه من قولهم مثل بين يديه مثولا أي انتصب قائما كذا ذكره بعض الشراح তবে আসল কথা হল যদি ছাওয়াবের আশায় ও বিনয়ের জন্য দাড়ায় তবে কোনও দোষ নেই । وأما إذا لم يطلب ذلك وقاموا من تلقاء أنفسهم طلبا للثواب أو لإرادة التواضع فلا بأس به ইমাম বায়হাকী শয়াবুল ঈমানে খাত্তাবী হতে এ হাদীসের অর্থ বয়ান করতে গিয়ে বলেন , যে ব্যক্তি অহঙ্কার ও দাম্বিকতা বসত অপরকে তার সম্মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে বলে তার জন্য দাঁড়ানো জায়েজ নহে । وقد روى البيهقي في شعب الإيمان عن الخطابي في معنى الحديث هو أن يأمرهم بذلك ويلزمه إياهم على مذهب الكبر والفخر তিনি বলেন , সাদের হাদিসের মাঝে এ কথার ইঙ্গিত রয়েছে যে, ন্যায় পরায়ন বাদশা ও শিক্ষকের জন্য সম্মানে ছাত্রের দাঁড়ানো মুস্তাহাব । قال وفي حديث سعد دلالة على أن قيام المرء بين يدي الرئيس الفاضل والوالي العادل وقيام المتعلم للمعلم مستحب غير مكروه وقال البيهقي هذا القيام يكون على وجه البر والإكرام كما كان قيام الأنصار لسعد وقيام طلحة لكعب بن مالك رواه الترمذي وأبو داود وكذا أحمد وفي شرح السنة عن أبي مجلز أن معاوية خرج وعبد الله بن عامر وعبد الله بن الزبير جالسان فقام ابن عامر وقعد ابن الزبير فقال معاوية إن رسول الله قال من سره أن يتمثل له عباد الله قياما فليتبوأ مقعده من النار وعن أبي أمامة رضي الله تعالى عنه قال خرج رسول الله متكئا أي معتمدا على عصا أي لمرض كان به فقمنا له أي لتعظيمه فقال لا تقوموا كما يقوم الأعاجم يعظم بعضها ويروي بعضهم بعضا أي لماله ومنصبه وإنما ينبغي التعظيم للعلم والصلاح ذكره ابن الملك ব্যাখ্যাকার বলেন, আমাদের ওলামায় কেরাম ও বলেন ,যখন দাঁড়ানো ও তাজিম আল্লাহর জন্য হবে তখন তাহা উত্তম হবে ।আর সাহাবীগন তো কেবল মাত্র আল্লাহ ও তার রাসুলের সম্মানেই দাড়াতেন , وكذا قال شارح من علمائنا أيضا وإذا كان القيام والتعظيم لله فحسن اه وفيه أن كلامهما لا يلائم النهي لهم فإنهم لا شك أنهم إنما قاموا لله وتعظيما لرسول الله এ কথা জেনে রাখা অতিব জরুরী যে , আমরাও মিলাদে কিয়াম করে থাকি এক মাত্র আল্লাহর সন্তোষটি ও তার রাসুলের তাজিমে, সুতারং ইহা সন্দেহ মুক্ত মুস্তাহাব ।এখন যদি কেহ বলতে চান যে, আপনি দাড়ালেন কেন রাসুল তো আপনার সামনে হাজির হননি ? এ কথার জবাবে আমি আপনাকে বলব আপনি নিম্মের ইবারত গুলো ভাল ভাবে গবেষনা করুন , তবে আপনার কাছেও ব্যাপারটি স্পষ্ট হবে যে, চোখে না দেখলেও দাঁড়ানো যায় । ( باب ما جاء في القيام للجنازة ) [ 1042 ] قوله ( إذا رأيتم الجنازة فقوموا لها ) وفي حديث جابر عند مسلم إن الموت فزع فإذا رأيتم الجنازة فقوموا وفي حديث سهل بن حنيف وقيس بن سعد عند البخاري أن النبي صلى الله عليه و سلم مرت بهجنازة فقام فقيل له إنها جنازة يهودي فقال أليست نفسا وفي حديث أنس مرفوعا عند الحاكم فقال إنما قمنا للملائكة وفي حديث عبد الله بن عمرو مرفوعا عند أحمد وبن حبان والحاكم إنما تقومون إعظاما للذي يقبض النفوس ولفظ بن حبان إعظاما لله الذي يقبض الأرواح قال الحافظ في الفتح ما محصله إنه لا تنافي بين هذه التعليلات لأن القيام للفزع من الموت فيه تعظيم لأمر الله وتعظيم للقائمين بأمره في ذلك وهم الملائكة এ বর্ণনা যাহা বুখারী মুসলিম সহ বহু হাদিস গ্রন্থে রয়েছে ,রাসুল (সঃ) জানাজা দেখলে দাড়াতে বলছেন , প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন , তার তো প্রান ছিল ।আবার বলেন আমরা ফিরিস্তাদের জন্য দাঁরাই , আর আমরা ফিরিস্তাদেরকে দেখিনা ।এখন বলুন যদি ফিরিস্তাদেরকে না দেখে তাজিম করে দাঁড়ানো যায় তবেকি রাসুল (সঃ) কে নাদেখে তাজিমে দাঁড়ানো যাবেনা ?-----অবশ্যই যাবে । ফুকাহায়ে কেরাম এ মতামত ব্যাক্ত করেছেন যে ,নেক্কার লোকদের রুহ সমুহ ভ্রমন করেন তারা যে কোন এলেম ও নেক মজলিসে হাজির হতে পারেন । ( وفي الباب عن أبي سعيد ) أخرجه البخاري ومسلم ( وجابر ) أخرجه البخاري ومسلم ( وسهل بن حنيف ) لينظر من أخرجه ( وقيس بن سعد ) أخرجه البخاري ومسلم ( وأبي هريرة ) أخرجه البخاري ومسلم قوله ( حديث عامر بن ربيعة حديث حسن صحيح ) وأخرجه البخاري ومسلم আবু দাউদ শরিফে হজরত আয়শা (রা) হতে বর্ণিত ,রাসুল( সঃ) জখন ফাতিমা র. এর ঘরে প্রবেশ করতেন ফাতিমা র. তার মুহাব্বত ও স ম্মানে দড়াতেন, অনুরুপ রাসুল সঃ ও ফাতিমার মুহাব্বত ও স ম্মানে দড়াতেন একে অপরকে চুমু খেতেন, আলিঙ্গন করতেন । عن عاءشة رض قالت مارأيت احدا اشبه سمتا و هديا ودلا برسول الله سلي الله عليه و سلم من فاطمة كانت ادا دخلت عليه قام اليها فاخد بيدها فقبلها و اجلسها في مجلسه و كان ادا دخل عليها قامت اليه فاخدت بيده فقبلته و اجلسته في مجلسها(رواه ابوداؤد) আবুদাউদ শারিফ এর উল্লিখিত বর্ণনা দ্বারা এ কথা পরিস্কার হল যে যারা মিলাদে কিমের ব্যাপারে মতভেদ করে তাদের কথা অমুলক । আল্লাহ সকল কে বুঝার শক্তি দান করুন ।আমিন----
চেয়ারে বসে নামায আদায় করার হুকুম কি?
আসসালামু আলাইকুম।বা.ই.ফা.র ফতোয়া-চেয়ারে বসে নামায পড়া জায়েয নয়।আসলে তা কতটুকু সঠিক?বিস্তারিত জানালে খুশী হতাম।
আসসালামু আলাইকুম।বা.ই.ফা.র ফতোয়া-চেয়ারে বসে নামায পড়া জায়েয নয়।আসলে তা কতটুকু সঠিক?বিস্তারিত জানালে খুশী হতাম।
Tovlig kara keno haram
Tovlig kara ki gaeac ace
namaj porar noyom
milad kiam jaiz ai bapare quran and hadise onek dolil ase ميلاد وقيام ثابتان بالنقل মুসলিম ভাই , আল্লাহ আপনার প্রতি দায়া কারুন, মিলাদ ও কিয়াম জায়েয হওয়ার দলিল প্রমান আমরা আমাদের দুইখানা কিতাব ০১। মিলাদ শরীফে কয়ামের বাস্তবতা ০২। প্রিয় নাবীর স্মরণে মিলাদ মাহফিল,এর মাঝে বিস্তারিত লিখেদিয়েছি। আপনি আমাদের কিতাব সংগ্রহ কারুন , এর পরেও কাতিপয় দলিল আমি আপনার নিকট বর্ননা কারছি ।সংক্ষেপ কথা হল, মিলাদ শব্দের অর্থ হল, জন্ম বিত্তান্ত ,প্রিয় নাবী (সঃ)এর জন্ম বিত্তান্ত নিয়ে আলোচনা করা ,ইহা জায়েয ,কেননা পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা’লা নাবীদের অনেকের জিবনী, জন্ম বিত্তান্ত ,আলোচনা কারেছেন, যেমন হাযরত ঈসা(আঃ) এর জন্ম কাহিনী বিস্তারিত বয়ান কারেছেন । মুসা (আঃ) এর জন্ম কাহিনী বিস্তারিত বয়ান করেছেন , হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর জন্ম কাহিনী বয়ান করেছেন , প্রমানে কুরানে কারীমের কয়েকটি আয়ত উল্লেখ করা হল ‘১।فحملته فانتبدت به مكانا شركيا-مريم-অতঃপর সে ঈসা কে গর্ভে ধারণ করলেন, এবং তাকে গর্ভে নিয়ে পূর্বদিকে চলে গেলেন,(সুরা মার ইয়াম,)২।--- فاجاءها مخاض الي جدع النخلة(مريم)প্রসব বেদনা তাকে খেজুর গাছের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য করল,(সুরা মার ইয়াম)---, ।এছাড়া প্রিয় নাবী (সঃ) নিজেও নিজের জান্ম কাহিনী নিয়ে আলোচনা করেছেন , হাদিস শরীফে উল্লখ রয়েছে, ----عن العباس انه جاء الي النبي صلي الله عليه و سلم فكانه سمع شيا فقام النبي صلي الله عليه و سلم علي المنبر فقال من انا فقالوا انت رسول الله قال انا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب ان الله خلق خلقا فجعلني في خيرهم –ثم جعلهم فرقتين فجعلني في خيرهم فرقة –ثم جعلهم قباءل فجعلني في خيرهم قبيلة ثم جعلهم بيوتا فجعلني في خيرهم بيتا –فانا خيرهم نفسا وخيرهم بيتا - প্রিয় নবী (সঃ) এর চাচা হযরত আব্বাস (র) একদা কাফিরদের মুখে প্রিয় নবী (সঃ) এর বিরুদ্ধে কিছু তিরিস্কার মুলক কাথা শুনে রাগন্মিত হয়ে প্রিয় নবী (সঃ) এর নিকট আসলেন এবং কাথাটি প্রিয় নবী (সঃ) কে জানালেন ,ইহা শুনে প্রিয় নবী (সঃ) মিম্বারে দাড়ালেন ,এবং প্রিয় নবী (সঃ) বললেন, বল তো আমি কে ? সাহাবীরা উত্তর দিলেন, আপনি আল্লাহর রাসুল , প্রিয় নাবী (সঃ) বললেন, আমি হলাম আব্দুল মুত্তালীবের পুত্র আব্দুল্লাহ এর ছেলে মুহাম্মদ,আল্লাহ তায়ালা যে সকল মাখলুক সৃষ্টি কারেছেন (জিন ও ইনসান) তাদের মধ্যে আমাকে সর্ব উত্তম শ্রেনীতে সৃষ্টি করেছেন,আবার সেই দলকে (আরব-আজম) দুই ভাগে ভাগ করেছেন, তাদের মধ্যে আমাকে সর্ব উত্তম ভাগে (আরবদের মাঝে) সৃষ্টি করেছেন, আবার সেই দলকে (আরবকে )বিভিন্ন গোত্রে ভাগ করেছেন, তাদের মধ্যে আমাকে সর্ব উত্তম গোত্রে( কুরাইশ গোত্রে) সৃষ্টি করেছেন, আবার সেই গোত্র গুলিকে বিভিন্ন পরিবারে ভাগে ভাগ করেছেন, তাদের মধ্যে আমাকে সর্ব উত্তম পরিবার( হাশেমী পরিবারে) সৃষ্টি করেছেন,সুতরাং ব্যক্তি ও পরিবার হিসেবে আমি সবার চেয়ে উত্তম । (তিরমিযি) অপর হাদিসে রয়ছে وساخركم باول امري بشارة عيسي و رئيا امي التي رأت حين -وضعتني قد خرج لها نور اضاء منه قصور الشام –شرح السنة- আমি তোমাদেরকে আরও বলছি যে, আমার নবুয়াতের প্রথম প্রকাশ হল,হযরত ইব্রাহীম(আঃ) এর দুয়া, হযরত ঈসা(আঃ) এর সুসংবাদ ও আমার মায়ের স্বপ্ন,যা তিনি আমাকে প্রসব করার সময় দেখেছিলেন যে,তার সামনে একটি আলো উদ্ভাসিত হয়েছে যার আলোতে তিনি সিরিয়ার রাজ প্রাসাদ পর্যন্ত দেখতে পান। (সরহে সুন্নাহ)উল্লেখিত আয়াত ও হাদিস থেকে এ কথা বুঝা গেল যে, মিলাদ তথা জন্ম বিত্তান্ত আলোচনা অবশ্যই জায়েয, অন্যথায় আল্লাহ ও তার রাসুল এ বিষয় আলোচনা কারতেননা বা নিষেধ কারতেন ।এ ছাড়া যদি প্রিয় নবী (সঃ) এর মিলাদ সম্পর্কিত আলোচনা নিষেধ বা হারাম হত,লজ্জার কারন হত,রাসুলের বেহুরমতি হত, তবে হাক্কানী ওলামায় কিরাম এ বিষটি হাদিস হিসেবে যুগের পর যুগ বর্ণনা কারতেন না, বন্দু আপনি বিষয়টি চিন্তা করুন------। এ ছাড়া ও প্রিয় নবী (সঃ) এর মিলাদ সম্পর্কিত আলোচনা নিজদের মাঝে তুলে ধরা,তার আগমনে খুশী হওয়া , মুলতঃ আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়ার আদয়, কেননা প্রিয় নবী (সঃ) নিজেই নিজের জন্মের শুকরিয়ার জন্য প্রতি সোমবার রোজা রাখতেন, হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে, سئل رسول الله صلي الله عليه و سلم عن صوم يوم الاثنين قال فيه ولدت وفيه انزل علي-مسلم - - প্রিয় নবী (সঃ) কে সোমবার রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস কারা হল, তিনি বললেন, এদিনে আমি জন্ম গ্রহণ করেছি, এবং এ দিনে আমার উপর ওহি নাজিল হয়েছে । (মুসলিম,) প্রিয় নবী (সঃ) এর আগমন ,জন্ম , এ পৃথিবীর জন্য সর্বাপেক্ষা বড় নেয়ামত, আল্লাহ বলেন—- لقد من الله المؤمنين اد بعث فيهم رسولا من انفسهم - علي আল্লহ বলেন, অবশ্যই আল্লাহ মুমিনদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন,যখন তিনি তাদের মাঝে তাদের নিজদের থেকে রাসুল প্রেরণ করেছেন । আর আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে আল্লাহ নেয়ামত আরও বাড়িয়ে দিবেন,আল্লাহ বলেন, لئن شكرتم لازيدنكم- যদি তোমরা আমার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় কর আমি তোমাদের নেয়ামত বাড়িয়ে দিব । এ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার জন্যই আওলিয়ায় কেরাম মিলাদ পড়েন, রাসুলের জন্ম বিত্তান্ত ও জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন।---- আর চলমান মিলাদ ও কিয়াম যে পদ্দতিতে চলছে , এ ধরন বিদয়াতে হাসানাহ, কারন নব আবিস্কৃত যে সকল আমল শরীয়ত সম্মত হয়, এবং মানুষের মাঝে আল্লাহ ও তার রাসুলের মুহাব্বত পায়দা করে তা হাসানাহ হবে, আমরা দেখছি সোনাকান্দা ,ছারছীনা, সহ ফুরফুরা ছেলছেলার হাক্কানী দারবার গুলো যে রূপ মিলাদ ও কিয়াম করে ,তাতে বিন্দু মাত্র সমস্যা নেই ,বরং তাদের রাসুল প্রেম বাড়ে । তাবে হা, যদি কেহ এরূপ মজলিসে গুনাহের কাজ করে , নারী-পুরুষ একত্র করে পর্দার খেলাফ করে ,তাবে ইহা হারাম বিদয়াত হবে, কিয়ামের ব্যাপারে যে প্রশ্ন তোলা হয় তা অমুলক আমরা কেবল প্রিয় নবীর তাযিমে সালাম দেওয়ার সময় দাঁড়িয়ে যাই কেননা সালাম দেওয়ার উত্তম তরিকা হল , দাঁড়ানো ব্যাক্তি সালাম দিবে বসা ব্যাক্তিকে-----এ কথা জানা থাকতে হবে যে , তাযিমের জন্য রাসুল(সঃ) কে মিলাদ মজলিসে হাজির হওয়া জরুরী নহে কেননা অদৃশ্য ব্যাক্তি বস্তুকে সামনে না দেখে তাযিম জায়েজ যেমন আমরা কিবলাকে না দেখেই তাজিম করে থাকি। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আমাদের কিতাব সমুহ পাঠ করুন, (হাকীর, বেলাল হুসাইন,)
keno uttor deoa hoina
পানের সাথে জরদা খাওয়া কি,মোবা নাকি হারাম. মুহতারাম, পানের সাথে জদ্দা খওয়া মুবাহ,কেননা জদ্দা জ্ঞানকে হরণ করেনা, মাতাল করেনা, শরীয়ত যে নেশা হারাম করেছে তা জ্ঞান লোপ করে এমন নেশা বস্তু,যেমন মদ,গাজা,আফিং,------
সালাম হুযুর। আমার অনেক গুলা কিতাব লাগবে যে। যেমনঃ আললাহর খুশি পরদা হলাল হরাম আরো অনেক। বযুর গু আমার কিতাব গুলি অনেক দরকার এ ব্যাপারে আমাদের দারবারের কিতাব,১।বিশ্ব সভ্যতায় নারী ও পারদা,এ ছাড়া বাকি কিতাব স মুহ তাড়াতাড়ী বের করা হবে ।,
আসসালামু আলাইকুম সুনাকানদা দারবার সরিফের ওসতাদ ও ভাইয়েরা আসা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমার কতগুলো ইসলামিক কিতাব লাগবে যেমনঃআল্লাহর সনতুস্টি. নারীদের পরদা বিষয়ে. পরদা মানা কি আর না মানা কি.হালাল হারাম.যকাত.হায়েজ.সামী সএীর অধিকার ও বৈধ সম্পর্ক.এছারাও আরো অন্যান্য কিতাব সমূহ. এই কিতাব গুলা যদি আপনাদের এই website টিতে না থাকে আর থাকলেও আমি পাইতেছিনা আমাকে একটা উপায় দেখান. লেখকের নাম বলে দেন জানেনত বাজারে বিভিন্ন ধরনের কিতাব থাকে তবে সুনাকান্দা থেকে কিতাব পেলে ভাল হত আসা করি একটা কিছু করবেন আসায় থাকলাম-ahmedmustafa19b28@gmail.com এ ব্যাপারে সনাকান্দা দরবার শরীফ হতে কতিপয় কিতাব বাজারে পাবেন,১/রাহে জান্নাত- এ কিতাবে ইস লামের বেনা সমুহ,হালাল-হারাম,তারীকা তাসাউফ,উত্তাম সভাব ও নিন্দনীয় সভাবের বর্ননা পাবেন,২।খুতবায়ে মাহ মুদীয়া(বার চাঁদের খুতবা)তে আপনার বহু চাহিদা পুরন হবে,পারদার কিতাবের কাথা আগের উত্তারে উল্লেখ কারা হায়েছে,এ ছাড়া আনিছুতালেবীব-৫ খান্ড সহ বাকি কিতাব সমুহ গ্রহন করুন সকল স মস্যার জওয়াব পাবেন। সালাম রইল ।
ওয়েব সাইটটি সম্পূর্ন কবে হবে ইনশাআল্লাহ, খুব তাড়াতাড়ী সম্পন্ন করা হবে
kono haram k halal bola tar eman thaka ke na শরীয়তে যা হালাল তা হারাম আকীদা পোষণ কারলে এবং যা হারাম তা হালাল আকীদা পোষণ কারলে ঈমান থাকবেনা । (আকাইদে নাসাফী দ্যাখুন)
Mosjide probeser sunnot ki মাসজিদে প্রবেশের সুন্নাত তরীকা,১।মাসজিদে প্রবেশের সময় ডান পা দিয়ে প্রবেশ কারবে,২/প্রবেশের সময় দয়া পাঠ কারবে,*আল্লাহুম্মাফহ লী আবওয়াবা রাহ মাতিকা * অথবা এ রুপ দয়ার কথাও রয়েছে,মাসজিদে প্রবেশের সময় প্রথে বালবে,বিস মিল্লাহ ওয়াচ্ছালাতু আলা রাসুলিল্লাহ,আল্লাহুম্মাফহ লী আবওয়াবা রাহ মাতিকা ।
amar boyos 21.ami bayat hote parbo. প্রিয় বন্দু,যেনে রাখুন,বাইয়াত গ্রহন শরীয়তের ফাতায়া মুতাবেক সুন্নাত, আর আপনাকে ঐ সমায় ই পালন করতা হবে যখন আপনি বালেগ হাবেন ,আর শরীয়াতের ফাতওয়া মুতাবেক মেয়েরা ৯-১২ বাছর এবং ছেলেরা,১২-১৫ বা ১৭ বছ রে বালেগ হতে পারে অথবা কোন কোন এ দেশ বা এলাকার আবহাওয়ার কারনে এ সময়ের আগে বা পরে হতে পারে,তাই আপনি যখন ই বালেগ হাবেন আপনাকে শরীয়তের সকল হুকুম পালন কারতে হবে ,তাই আপনি বালেগ হওয়ার সাথে সাথে ফরয ইবাদত,যেমন-নামায,সিয়াম,এর মত সুন্নাত হিসেবে বাইয়াত হওয়া ও যায়েজ, বরং ফেতনা থেকে বাচার জন্ন্য এ সময়ে বাইয়াত অতিব জরুরী ।
মসজিদের জায়গায় কি মাদ্রাসা করা যাবে?? মুহতারাম, না মসজিদের জায়গায় মাদ্রাসাহ করা যাবে না ।
মিলাদ শরীফ পড়া কি? চলমান যে মিলাদ ও কিয়াম তা মুস্তাহাব হিসেবে ও দোয়া কবুলের আসিলা হিসেবে পড়া হয় ।
sud khawa ki..? মুহতারাম, সুদ খাওয়া হারাম,কবীরাহ গুনাহ
বাংলায় খুতবা পড়া কি? মুতারাম,জুমার খুৎবা আরবীতেই দিতে হবে,যেহেকু হাদিসে খুতবাকে জিকির বলা হয়েছে ,জেনে রাখবেন জিকির কেবল আরবী ভাষায় হয়,এ ছাড়া প্রিয় নবির যুগ হতে জুমার খুতবা আরবীতে চলে আসছে, তাই সুন্নতে মুতাওয়্যরেছা হিসেবে খুতবা আরবীতেই পড়তে হবে,বাংলায় জায়েজ নহে।
sonakanda madrasai borti korlli ki niom nita..hova
বার তাকবীর যারা করে তাদের ব্যাপারে জানতে চাই। ১২ তাকবীর মুহতারাম, ঈদের নামাজের ঈদের নামাযের তাকবীরের ব্যাপারে যতগুলো বর্ণনা পাওয়া যায় তার সকল রেওয়ায়েতের উপরই পূর্ববর্তী ওলামায় কেরামের আমল রয়েছে, ০৬,০৯,১২, তাকবীর, এ রেওয়ায়েতের যে কোন একটি মোতাবেক আমল করে নামাজ আদায় করলে নামাজ হবে, তাই যারা ১২, তাকবীরে ঈদের নামাজ আদায় করে তাদের নামাজ হবে ,কিন্তু দুখের বিষয় হল, যে সকল ভাইয়েরা ১২, তাকবীরে নামাজ আদায় করে শুনা যায় তারা অন্যদের নামাজ, ০৬ তাকবীরে নামাজ নিয়ে সমালচনা করে, তাদের এ অভ্যাস পরিহার করা উচিত, কেননা ওলামায় কেরামের বর্ণনা মোতাবেক ০৬ তাকবীরের রেওয়ায়েতটি বেশী শুদ্ধ এবং এর উপর বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ সহ মুহাক্কেক ফুকাহাদের আমল বিদ্যমান। ০৬ তাকবীরের বর্ণনা কে,সকল মুহাদ্দীসগন সহীহ বলেছেন, বিশেষ করে মুতাশাদ্দেদ ব্যাক্তি আলবানীও এ বর্ণনাকে হাসান সহীহ বলেছেন । - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ وَابْنُ أَبِى زِيَادٍ - الْمَعْنَى قَرِيبٌ - قَالاَ حَدَّثَنَا زَيْدٌ - يَعْنِى ابْنَ حُبَابٍ - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ أَخْبَرَنِى أَبُو عَائِشَةَ جَلِيسٌ لأَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ سَأَلَ أَبَا مُوسَى الأَشْعَرِىَّ وَحُذَيْفَةَ بْنَ الْيَمَانِ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- يُكَبِّرُ فِى الأَضْحَى وَالْفِطْرِ فَقَالَ أَبُو مُوسَى كَانَ يُكَبِّرُ أَرْبَعًا تَكْبِيرَهُ عَلَى الْجَنَائِزِ. فَقَالَ حُذَيْفَةُ صَدَقَ. فَقَالَ أَبُو مُوسَى كَذَلِكَ كُنْتُ أُكَبِّرُ فِى الْبَصْرَةِ حَيْثُ كُنْتُ عَلَيْهِمْ. وَقَالَ أَبُو عَائِشَةَ وَأَنَا حَاضِرٌ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ. আপনি প্রয়োজন হলে যাছাই বাছাই করতে পারেন ।তবে যেহেতু বরতমানে আমাদের দেশে ছহিহ রেওয়ায়েত মুতাবেক ০৬ তাকবীরে নামজ সকেলে আদায় করছে এ মোতাবেকই সকলে নামাজ আদায় করুন, ব্যাক্তিগত নাম প্রচারের জন্য ১২ তাকবীরেই পরতে হবে ০৬ তাকবীরে পরাযাবেনা বলে ফেতনা করবেন না ।
sonakandadarbarsharif map
ager nobider somoi ke namaj silo
nobiji j amader moto manus etato quran e sora sori ayat ache. Apne ki emon kono ayat othoba hadis dekhate parben jetate bola ache othoba ingkit dewa ache j nobiji norer toire,? Ami kintu boli nobiji norer toire. Amake ekjon lok eta ask korche Ami ans dite parene tai apnader Web site ask korlam.
milad kiam kora ki ?
what is madrasah?
নবীজী (সাঃ) এর ব্যাপারে আমাদের আকিদা কী হওয়া উচিত
ইমামের পিছনে নামায আদায় কালে ভুল ক্রমে যদি মুক্তাদির কোন ওয়াজিব বাধ পরে, তখন মুক্তাদির করনীয় কী? মুক্তাদির কি সাহু সিজদা দিতে হবে? অথবা, মুক্তাদি কি ইমাম অনুস্বরনে নামায শেষ করে নিবে? মুহতারাম, মুক্তাদীর ভুলের কারনে ওয়াজিব ছুটে গেলে ,নামাজে তাকে শহু সিজদাহ দিতে হবেনা । বরং সে ইমামের সাথে সালাম ফিরিয়ে যথা রীতি নামাজ শেষ করবেন । سَهْوُ الْمُؤْتَمِّ لَا يُوجِبُ السَّجْدَةَ(فتاوي هندية
ইমামের পিছনে নামায আদায় কালে ভুল ক্রমে যদি মুক্তাদির কোন ওয়াজিব বাধ পরে, তখন মুক্তাদির করনীয় কী? মুক্তাদির কি সাহু সিজদা দিতে হবে? অথবা, মুক্তাদি কি ইমাম অনুস্বরনে নামায শেষ করে নিবে?
আস্সালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ… আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ইসলামী শরিয়তের আলোকে তাবলীগ জাম্ִয়াতের হুকুম কী?
প্রকাশনা